এই লেখাটি ১ জুন ২০২৩ সালে দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত হয়েছে। কোভিড মহামারি আঘাত হানার এক বছর আগে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রায় ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল, যা এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধমান অর্থনীতি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। কোভিড-১৯ ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অনেক দেশের অর্থনীতিতে নানা প্রভাব ফেলেছে এবং বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দুর্বল হয়েছে, মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবে
এ লেখাটি জুলাই ১৯৯৯ সালে মাসিক কম্পিউটার জগতে প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে দ্রুত গতিতে ডাটা সঞ্চালনের বিষয়টি বিশেষ করে সফটওয়্যার ও ডাটা প্রসেসিং রফতানির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। অথচ আমাদের দেশ এখনো পুরানো আমলের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাকে আঁকড়ে ধরে আছে। বর্তমান সরকার তথ্য প্রযুক্তিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং এ ব্যাপারে বহু বিবৃতি পত্র-পত্রিকায়
আরো একটি কবিতা (আদৌ কোন সাহিত্যগুণ আছে কিনা জানিনা) দিতে যাচ্ছি, কবিতাটি দেয়ার আগে যেটা জানাতে চাই তা হলো এই কবিতাটি আজ হতে ১৪ বছর আগে ১৯৯৭ সালের জুলাই মাসের ৩ তারিখে এক বর্ষণসিক্ত রাতে লেখা হয়েছিল, যখন আমি কলেজের ছাত্র ছিলাম। কোন রকম পরিমার্জন ছাড়াই এখানে তুলে দিলাম। বর্ষণসিক্ত সুপ্তবাসনা আকাশে ছোট বড় নানা
স্কুল-কলেজে পড়ার সময় হালকা হালকা ডায়েরী লেখার অভ্যাস করেছিলাম, অনেক দিন ডায়েরীগুলো দেখিনি, ক’দিন আগে খুঁজে পেলাম এমন এক ডায়েরী, ১৯৯৭ সালের।টুকটাক কবিতা লেখার চেষ্টা করতাম সেই কৈশোরে… কতটুকু কবিতা হতো তা বিচার করিনি কখনো, তাই একটি কবিতা এখানে শেয়ার করলাম। সমসাময়িক চেয়ে চেয়ে কেটে যায় দিন – ভুলে যাই স্মৃতিকথা,মনে পড়ে জীবনের যতো দু:খব্যথা
ছাত্র ছিলাম যখন, তখনও দেশে আজকালকার মত মোবাইল ইন্টারনেটের চল ছিলনা, ডায়াল আপের সুযোগ সীমিত থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব আর সাইবার ক্যাফেই ছিল ভরসা। ২০০৩ সালের কথা, তখন সাইবার ক্যাফেতেও ছিলো স্পীডের হাহাকার, এখনকার মোবাইল ইন্টারনেট এর চেয়েও অন্তত: ৪/৫ গুন কম স্পীডেই ব্যবহার করতে হতো। কাজের জন্যই অনেক সময় কাটাতাম সাইবার ক্যাফেতে, তো এমন একদিন