বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে কৌতুহলের বশেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করি ২০০৩ সালে, স্ক্রিপ্টল্যান্স ডট কমে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়তি মেনে তখনো চতুর্থ সেমিষ্টার শেষ করতে পারিনি। সাইবার ক্যাফেতে সময় দিতাম ২০০০/২০০১ থেকেই, ইন্টারনেট এর বিভিন্ন ভালো খারাপ দিকের সাথে পরিচিত হয়ে উঠছিলাম ধীরে ধীরে, ইমেইল, এমএসএন মেসেঞ্জার এসবে অভ্যস্ত হয়ে গেছি ততদিনে। আর্থিক সমস্যাই ছিলো ইন্টারনেটে বেশী সময়
স্কুল-কলেজে পড়ার সময় হালকা হালকা ডায়েরী লেখার অভ্যাস করেছিলাম, অনেক দিন ডায়েরীগুলো দেখিনি, ক’দিন আগে খুঁজে পেলাম এমন এক ডায়েরী, ১৯৯৭ সালের।টুকটাক কবিতা লেখার চেষ্টা করতাম সেই কৈশোরে… কতটুকু কবিতা হতো তা বিচার করিনি কখনো, তাই একটি কবিতা এখানে শেয়ার করলাম। সমসাময়িক চেয়ে চেয়ে কেটে যায় দিন – ভুলে যাই স্মৃতিকথা,মনে পড়ে জীবনের যতো দু:খব্যথা
ছাত্র ছিলাম যখন, তখনও দেশে আজকালকার মত মোবাইল ইন্টারনেটের চল ছিলনা, ডায়াল আপের সুযোগ সীমিত থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব আর সাইবার ক্যাফেই ছিল ভরসা। ২০০৩ সালের কথা, তখন সাইবার ক্যাফেতেও ছিলো স্পীডের হাহাকার, এখনকার মোবাইল ইন্টারনেট এর চেয়েও অন্তত: ৪/৫ গুন কম স্পীডেই ব্যবহার করতে হতো। কাজের জন্যই অনেক সময় কাটাতাম সাইবার ক্যাফেতে, তো এমন একদিন
ঘটনাটি ২০০২ সালের, আমার জীবনের একটা সত্য ঘটনা। এক বন্ধুকে সাহায্য করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছিল। সংগত কারণেই বন্ধুর নাম উল্লেখ না করেই ঘটনাটি বলছি। কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমনের কারণে তার কম্পিউটারে অনেক প্রোগ্রাম কাজ করছিলো না, সে তখন দেশের বাইরে – প্রবাসী হওয়ার ১ বছরও পেরোয়নি। কম্পিউটারে সাধারণ কাজ কর্ম নিশ্চয় সে রপ্ত করেছিল আর হ্যাঁ,
“মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ কি?” আমি নিশ্চিত, প্রায় সবাই জীবনে কোন না কোন সময়ে কারো না কারো কাছ থেকে এ প্রশ্নটি শুনেছেন…হয়তো নিজের মতো করে অনেক কিছু ব্যাখ্যা করেছেন…ভেবেছেন..উত্তর দিয়েছেন…. আমি অনেক বার অনেক সময় এ প্রশ্নটি নিয়ে ভেবে দেখেছি এবং শেষ পর্যন্ত নিজের কাছে একটি গ্রহণযোগ্য উত্তর আমি খুঁজে নিয়েছি। সবাই হয়তো আমার